গ্রাম্যখাবার একটি অনলাইন ভিত্তিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, যার জন্ম ভোক্তারদ্বারে বিশুদ্ধ খাবার সরবরাহ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে।
বর্তমান প্রতিযোগিতা মূলক অর্থনীতিতে বেশি লাভের আশায় ও অজ্ঞতায় অনেক কৃষকরাই তাদের উৎপাদিত পন্যে অধিক মাত্রায় কীটনাশক, সার ও হরমোন প্রয়োগ করে থাকে যা মানব দেহের জন্যে অত্যন্ত ক্ষতিকর। বাজারে প্রাপ্ত অধিকাংশ খাদ্যপণ্যেই ‘ফুডগ্রেড’ তকমাধারী যেসব কালারিং এজেন্ট ব্যবহৃত হয় তা আসলেই কতটুকু খাবার উপযোগী সেটি সংশয়ের বেড়াজালে আবদ্ধ। তাছাড়া বিভিন্ন খাদ্যপণ্যের দীর্ঘস্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে যেসব উপাদান ব্যবহার করা হয় বা প্রক্রিয়াজাতকরণে যেসব পদ্ধতি অবলম্বন করা হয় তা এসব খাদ্যের দীর্ঘস্থায়িত্ব নিশ্চিত করে ঠিকই কিন্তু এতে ঘাটতি দেখা দেয় গুণগতমানের।গ্রাম্যখাবার খাদ্যের গুণগত মান রক্ষার্থে এবং ভোক্তাদের বিশুদ্ধ খাদ্যপণ্য সরবরাহে আপোষহীন।আমাদের বিশ্বাস আমরা শীঘ্রই বিশুদ্ধ ও প্রাকৃতিক খাদ্য সরবরাহে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করতে পারব।

কিভাবে এলো গ্রাম্য খাবার

আমাদের প্রতিদিনের প্রায় প্রতিটি খাবারে আজ বিভিন্ন প্রকার ক্ষতিকর কীটনাশক, কেমিক্যাল, হরমোন স্প্রে ও ফরমালিন মেশানো হচ্ছে।যার পরিনতিতে অনেক মানুষ আজ কিডনী ও পাকস্হলীর বিভিন্ন প্রকার জটিল ও কঠিন ব্যাধিতে আক্রান্ত হচ্ছে, যা থেকে আমাদের ছোট্ট শিশুটিও বাঁচতে পারছে না। এরই পরিপ্রেক্ষিতে নিজেদেরকে এবং পরবর্তী প্রজন্মকে ভেজাল খাদ্যের এই কালো থাবা থেকে বাঁচাতে গড়ে উঠেছিল গ্রাম্য খাবার।

আমরা কি করি

দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নিরাপদ এবং ভেজাল মুক্ত পণ্য সংগ্রহ করতেই ব্যায় হয় আমাদের অধিকাংশ সময়, সম্পদ, শ্রম ও মেধা। এবং সংগৃহীত পণ্য আমাদের নিজেদের পরিবারে ব্যাবহারের মধ্য দিয়ে শেষ হয় বিপণন পূর্ববর্তী প্রস্তুতি। তারপর আমরা আপনাদের জন্য সেটিই নিয়ে আসি যা আমাদের নিজেদের এবং পরিবারের জন্য পছন্দ করি।

আমাদের লক্ষ্য

এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য, রাসায়নিক ও কীটনাশক মুক্ত এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যদ্রব্য মানুষের হাতে পৌছানো ।

পাদটিকা

সস্তা খাদ্য সবসময় খরচ কমায় না, বরং ভেজালের কারণে এর পেছনে লুকিয়ে থাকে অনাকাঙ্খিত চিকিৎসা ব্যয়, যা কিনা প্রথমেই বুঝা যায়না । বিশুদ্ধ খাদ্য গ্রহন করুন এবং অর্থ ও স্বাস্থ্য দুই-ই বাঁচান।